এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নেই সরকারের, দুর্ভোগের শঙ্কা
Today bangla news
কয়েক বছর ধরে আবাসিক গ্রাহকরা নতুন গ্যাস সংযোগ পাচ্ছেন না। ভবিষ্যতে আবাসিক-গ্রাহকদের আর গ্যাস সংযোগ না দিতে সম্প্রতি একটি অফিস আদেশও জারি করা হয়েছে। আবাসিকে গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে্। তবে, চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ না করায় তা লাগামহীন হয়ে উঠছে। চলে যাচ্ছে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। অথচ মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। আর বাংলাদেশে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বলছে, বিতরণ কোম্পানিগুলো নিজেরা মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব না দিলে এই বিষয়ে কমিশনের কিছুই করার নেই। এদিকে, মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ রাজধানীতে এক অনু্ষ্ঠানে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছিলেন, ‘দুই মাসের মধ্যে এলপিজির মূল্য নির্ধারণে একটি নীতিমালা করবে সরকার। কিন্তু ওই ঘোষণার পর দুই বছরের বেশি সময়ও পার হয়ে গেলেও কোনও এখন পর্যন্ত কোনও নীতিমালা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন এলপি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে বিইআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি ওই রুলের জবাব দিয়েছে কমিশন। তবে কমিশন বলছে, নিয়ম অনুযায়ী আগে আবেদন করতে হবে মূল্য নির্ধারণে, এরপর শুনানি হবে।
সরকারি হিসাব বলছে, দেশে এখন এলপিজির চাহিদা রয়েছে ১০ লাখ মেট্রিক টন। ব্যবসা সম্প্রসারণের অবস্থা বলছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে এলপিজির চাহিদা বেড়ে হবে ৩০ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু সম্প্রসারণশীল বিশাল এই বাজারে কেন কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না সরকারের, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, ‘গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখলে তো এলপিজি সহজলভ্য করা দরকার। কিন্তু সেই গ্যাসের দামের ক্ষেত্রে সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। একটি রেগুলেটরি বডির মাধ্যমে এই মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এজন্য আমরা রিট করেছিলাম। হাইকোর্ট সেই রিটের শুনানি করে মূল্য নির্ধারণে বিইআরসির কোনও ব্যবস্থা নেবে কিনা, তা জানতে চেয়েছেন। এখন সরকারিভাবেই দামের বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে। না হলে এটি কারও পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তিও কমবে না।’
বিকল্প কোনও উপায় না থাকায় এলপিজিতে শহরের মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। অন্যদিকে গ্রামে আগের মতো আর জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায় না। ফলে মানুষ রান্নাঘরের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রতি বছর এর চাহিদা বাড়ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িয়ে আছে গ্যাস। আইন অনুযায়ী, সব ধরনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের কথা বিইআরসির। কিন্তু তারাও বলছে, কিছুই করার নেই।
অন্যান্য আরো সংবাদ পেতে এখানে ক্লিক করুন : আন্তর্জাতিক
কয়েক বছর ধরে আবাসিক গ্রাহকরা নতুন গ্যাস সংযোগ পাচ্ছেন না। ভবিষ্যতে আবাসিক-গ্রাহকদের আর গ্যাস সংযোগ না দিতে সম্প্রতি একটি অফিস আদেশও জারি করা হয়েছে। আবাসিকে গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে্। তবে, চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ না করায় তা লাগামহীন হয়ে উঠছে। চলে যাচ্ছে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। অথচ মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। আর বাংলাদেশে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বলছে, বিতরণ কোম্পানিগুলো নিজেরা মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব না দিলে এই বিষয়ে কমিশনের কিছুই করার নেই। এদিকে, মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ রাজধানীতে এক অনু্ষ্ঠানে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছিলেন, ‘দুই মাসের মধ্যে এলপিজির মূল্য নির্ধারণে একটি নীতিমালা করবে সরকার। কিন্তু ওই ঘোষণার পর দুই বছরের বেশি সময়ও পার হয়ে গেলেও কোনও এখন পর্যন্ত কোনও নীতিমালা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন এলপি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে বিইআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি ওই রুলের জবাব দিয়েছে কমিশন। তবে কমিশন বলছে, নিয়ম অনুযায়ী আগে আবেদন করতে হবে মূল্য নির্ধারণে, এরপর শুনানি হবে।
সরকারি হিসাব বলছে, দেশে এখন এলপিজির চাহিদা রয়েছে ১০ লাখ মেট্রিক টন। ব্যবসা সম্প্রসারণের অবস্থা বলছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে এলপিজির চাহিদা বেড়ে হবে ৩০ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু সম্প্রসারণশীল বিশাল এই বাজারে কেন কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না সরকারের, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলপিজির মূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, ‘গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখলে তো এলপিজি সহজলভ্য করা দরকার। কিন্তু সেই গ্যাসের দামের ক্ষেত্রে সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। একটি রেগুলেটরি বডির মাধ্যমে এই মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এজন্য আমরা রিট করেছিলাম। হাইকোর্ট সেই রিটের শুনানি করে মূল্য নির্ধারণে বিইআরসির কোনও ব্যবস্থা নেবে কিনা, তা জানতে চেয়েছেন। এখন সরকারিভাবেই দামের বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে। না হলে এটি কারও পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তিও কমবে না।’
বিকল্প কোনও উপায় না থাকায় এলপিজিতে শহরের মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। অন্যদিকে গ্রামে আগের মতো আর জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায় না। ফলে মানুষ রান্নাঘরের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রতি বছর এর চাহিদা বাড়ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িয়ে আছে গ্যাস। আইন অনুযায়ী, সব ধরনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের কথা বিইআরসির। কিন্তু তারাও বলছে, কিছুই করার নেই।
Comments
Post a Comment